languagetaxoomy: Bengali

চারু মজুমদার এবং তাঁর উত্তরাধিকার

প্রকাশকের কথা কমরেড চারু মজুদারের শহীদ হওয়ার ৪০তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ভারতীয় জনগণের এই মহান বিপ্লবী নেতার জীবন ও কর্মের বহুমুখী দিকগুলোকে অালোকিত করে এমন বিষয়সমূহের এক সংকলনকে অামরা উপস্থাপন করছি। এর মধ্যে সন্নিবেশিত হয়েছে সি এম-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী ও তাঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা অনিতা মজুমদারের স্মৃতিচারণা। রয়েছে তাঁদের পারিবারিক অ্যালবাম থেকে সংগৃহীত বিরল কিছু অালোকচিত্র — যেগুলোর কয়েকটি বেশ অস্পষ্ট — যেখানে পরিদৃশ্য হয়েছে অাত্মীয় ও বন্ধুবর্গের মাঝে জনগণের অতি সরল, অকপট মানুষটি। … … … … ইংরাজি সংস্করণ : জুলাই...

Read More

নির্বাচনোত্তর জাতীয় পরিস্থিতি : বামপন্থার দুই কৌশল

প্রকাশনার কথা ১৯৯৬-এর লোকসভা নির্বাচনের পর জাতীয় রাজনীতিতে অনেক নতুন নতুন ঘটনা ও প্রবণতা সামনে অাসতে থাকে। বিশেষত কেন্দ্রে মোর্চা সরকার গঠন হওয়ার পর ঐ সরকারে অংশগ্রহণের প্রশ্নে বামপন্থী দলগুলোর মধ্যে বিতর্ক দেখা দেয়। বিতর্ক সবচেয়ে বেশি ব্যাপক হয়ে ওঠে সিপিএমের মধ্যে। এই বিতর্কের যবনিকা টানতে নিজের নিজের মতো করে সোচ্চার হন সিপিঅাই-সিপিএম তাত্ত্বিকরা। পরিত্রাতার ভূমিকায় সবচেয়ে সরব হতে কলম ধরেন ইএমএস নাম্বুদ্রিপাদ। বিতর্কের এই সামগ্রিক প্রেক্ষাপট এবং এই বিতর্কে সিপিঅাই(এমএল) লিবারেশনের নির্দিষ্ট অবস্থান নিয়ে এক প্রাণবন্ত বিশ্লেষণ উপস্থিত করেন সাধারণ সম্পাদক কমরেড বিনোদ মিশ্র “জাতীয় রাজনীতির গতিপ্রকৃতি ও বামপন্থার কৌশল” শিরোনামে। এই রচনাটি প্রথম প্রকাষিত হয় দেশব্রতীর শারদ সংখ্য ১৯৯৬-এর পাতায়। ঐ রচনাটি কিছুটা সংক্ষিপ্ত অাকারে এখানে পুনঃপ্রচারিত করা হল। দ্বিতীয়ত ১৯৯৬-এর জুলাই মাসের শেষদিকে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটি রাজ্যে রাজ্যে দলের নির্বাচনী পর্যালোচনার যে দলিল প্রস্তুত করে তার সারাৎসার বিশ্লেষণ করতে সিপিঅাই(এমএল) লিবারেশনের পলিটব্যুরো সদস্য কমরেড দীপঙ্কর ভট্টাচার্য অালোচনা করেন “সিপিএমের স্বীকারোক্তি : অচলাবস্থা ব্যাখ্যায় কথার ফুলঝুরি” শিরোনামে। এই অালোচনা প্রথম প্রকাশ হয় লিবারেশন-এর নভেম্বর ১৯৯৬ সংখ্যায়। বামপন্থী দলগুলোর মধ্যে কৌশলগত লাইনের প্রশ্নে যে বিতর্ক রয়েছে সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা সঞ্চার করতে উপরোক্ত দুটি রচনা বিশেষ কার্যকরী হাতিয়ার হয়ে উঠবে এটাই...

Read More

সুবিধাবাদ — নববেশে নবসাজে

সিপিঅাই(এম)-এর অাসন্ন প্লেনামের যে খসড়া কর্মসূচীটি পেশ হতে চলেছে তার ওপর একটা সমালোচনামূলক নিবন্ধ লিবারেশন পত্রিকার জুলাই ২০০০ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। ব্যাপক বামপন্থী মহলের মধ্যে সুস্থ ও গঠনমূলক বিতর্কের স্বার্থে পুস্তিকাটির বাংলা অনুবাদ প্রকাশ করার দায় বোধ করেছে দেশব্রতী প্রকাশনী। এই পুস্তিকাটি তারই ফসল। অাশা করব এই পুস্তিকা বাম অান্দোলনের মধ্যেকার দুই কৌশলের লড়াইকে অারও জীবন্ত করে বৃহত্তর বাম অান্দোলনকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে। অাজকের দেশব্রতী প্রকাশনী ২৭ জুলাই...

Read More

কমিউনিস্ট পার্টি ও তার সদস্যপদ

৯০-এর দশকে প্রকাশিত পার্টি শিক্ষামালার পুস্তিকাসমূহ ১। মার্কসবাদের অ অা ক খ অধ্যয়ন প্রসঙ্গে– বিনোদ মিশ্র ২। কমিউনিস্ট পার্টি ও তার সদস্যপদ – রঘু ৩। মার্কসবাদ : জীবন্ত অাত্মা ও মৃতশব্দ – অরিন্দম সেন ৪। নির্বাচন : অংশগ্রহণ ও বিচ্যুতিগুলো — অশোক কুমার ৫। পার্টির রাজনৈতিক কৌশল প্রসঙ্গে — বিনোদ...

Read More

নির্বাচন : অংশগ্রহণ ও বিচ্যুতিগুলো

৯০-এর দশকে প্রকাশিত পার্টি শিক্ষামালার পুস্তিকাসমূহ ১। মার্কসবাদের অ অা ক খ অধ্যয়ন প্রসঙ্গে– বিনোদ মিশ্র ২। কমিউনিস্ট পার্টি ও তার সদস্যপদ – রঘু ৩। মার্কসবাদ : জীবন্ত অাত্মা ও মৃতশব্দ – অরিন্দম সেন ৪। নির্বাচন : অংশগ্রহণ ও বিচ্যুতিগুলো — অশোক কুমার ৫। পার্টির রাজনৈতিক কৌশল প্রসঙ্গে — বিনোদ...

Read More

পার্টির রাজনৈতিক কৌশল সম্পর্কে

৯০-এর দশকে প্রকাশিত পার্টি শিক্ষামালার পুস্তিকাসমূহ ১। মার্কসবাদের অ অা ক খ অধ্যয়ন প্রসঙ্গে– বিনোদ মিশ্র ২। কমিউনিস্ট পার্টি ও তার সদস্যপদ – রঘু ৩। মার্কসবাদ : জীবন্ত অাত্মা ও মৃতশব্দ – অরিন্দম সেন ৪। নির্বাচন : অংশগ্রহণ ও বিচ্যুতিগুলো — অশোক কুমার ৫। পার্টির রাজনৈতিক কৌশল প্রসঙ্গে — বিনোদ...

Read More

মার্কসবাদের অ অা ক খ অধ্যয়ন প্রসঙ্গে

৯০-এর দশকে প্রকাশিত পার্টি শিক্ষামালার পুস্তিকাসমূহ ১। মার্কসবাদের অ অা ক খ অধ্যয়ন প্রসঙ্গে– বিনোদ মিশ্র ২। কমিউনিস্ট পার্টি ও তার সদস্যপদ – রঘু ৩। মার্কসবাদ : জীবন্ত অাত্মা ও মৃতশব্দ – অরিন্দম সেন ৪। নির্বাচন : অংশগ্রহণ ও বিচ্যুতিগুলো — অশোক কুমার ৫। পার্টির রাজনৈতিক কৌশল প্রসঙ্গে — বিনোদ...

Read More

অার কুমীরের কান্না নয় — নেমে অাসুন সিংহাসন থেকে

প্রকাশনার কথা নন্দীগ্রামের বিদ্রোহের পর সিপিঅাই(এম) তথা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সরকারের ‘উন্নয়ন নীতি’, ‘শিল্পায়ন নীতি’র গরিব শ্রেণীস্বার্থ বিরোধী সারবস্তু নিয়ে বৃহত্তর বাম ও গণতান্ত্রিক মহলে প্রবল অালোড়ন ও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। উপরন্ত এখন ঐতিহাসিক নকশালবাড়ির অভ্যুত্থানেরও চার দশক পূর্তির সময়। এরকম এক সময় এক বিকল্প সংগ্রামী বামপন্থী চেতনা ও কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করে তোলার অাকাঙ্খা থেকেই এই সংকলন প্রকাশ করার উদ্যোগ। এই সংকলনে অাছে সম্প্রতি বামফ্রন্ট মুখ্যমন্ত্রীর ‘শিল্পে উত্তরণের অভিমুখ হবে গরিব মানুষ’ শীর্ষক বই নিয়ে বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক শুভেন্দু দাশগুপ্ত এবং অামাদের পার্টির সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের লেখা দুটি প্রতিবেদন। একই সঙ্গে পুনঃপ্রকাশ করা হল অামাদের পার্টির কেন্দ্রীয় মুখপত্র “লিবারেশন” এপ্রিল ২০০৭ সংখ্যার স্পাদকীয় এবং ২২ এপ্রিল পার্টি প্রতিষ্ঠা দিবসে কেন্দ্রীয় কমিটির অাহ্বানের অংশবিশেষ। সিপিঅাই(এমএল) লিবারেশন, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য...

Read More

প্রতিরোধের অার এক নাম : নকশালবাড়ি-সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম

শিল্পায়নের নামে গণহত্যা — চূর্ণ কর বুদ্ধ-বিমানের মেকি বামপন্থা তেভাগা-নকশালবাড়ি-নন্দীগ্রাম — জয়ী হবেই কৃষকের সংগ্রাম কৃষক হত্যাকারীদের কালো হাত ভেঙ্গে দাও গুঁড়িয়ে দাও — টাটার কাছে বন্ধক রাখা লালঝাণ্ডা ছিনিয়ে নাও শ্রমিক-কৃষক দিচ্ছে ডাক — সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম-নকশালবাড়ি জিন্দাবাদ নকশালবাড়ির ৪০ তম বার্ষিকীতে ১-২৫ মে ২০০৭ কৃষক জাগরণ যাত্রা ২৫ মে শহীদ মিনার...

Read More

বিশ্বায়ন, বামফ্রন্ট ও সালিম বিতর্ক

কৃষক উচ্ছেদের ভয়াবহ ছবি : দক্ষিণবঙ্গ জ্যোতি বসুর অামলে রাজারহাটে ৯,০০০ একর জমি দখল করে নিউটাউন উপনগরী করা হয়েছে। সেখানে কৃষক অাজও ক্ষতিপূরণ পায়নি। বর্ধমান-অাসানসোল, হলদিয়া, ব্যারাকপুর, দুর্গাপুর ও বারাসাতে ৭৫০০ একর জমি অধিগ্রহণ হবে। পূর্ব মেদিনীপুরের হলদি নদীর তীরে নন্দীগ্রাম থেকে খেজুরি পর্যন্ত বন্দর শিল্প গড়ার জন্য ২৫০০ একর জমি অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মুর্শিদাবাদের সাগরদিখী ও বর্ধমানের কাটোয়ায় দুটি নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য প্রায় ৩,০০০ একর জমি অধিগ্রহণ হবে। এর ফলে ১২,০০০ কৃষক জমি হারাতে বসেছে। নদীয়ার মায়াপুরে জমির সিলিং-এর সীমা ভেঙ্গে শিল্প ও বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে তুলতে বিদেশী সংস্থা অালফ্রেড ফাউন্ডেশনকে ৬০ একর জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অারও ৬০০ একর অালোচনায় অাছে। যা দেওয়া হবে অান্তর্জাতিক ধর্মকেন্দ্রের জন্য। বানতলায় নতুন চর্মনগরীর জন্য স্থানীয় মানুষকে উচ্ছেদ করে ৫৬৫.০৫ একর জমি দখল করা হয়েছে। এই সমস্ত জায়গায় কৃষকদের উচ্ছেদের সময় কোথাও চাকরি এবং কোথাও ক্ষতিপূরণের কথা বলা হয়েছিল। রাজারহাটে উচ্ছেদপ্রাপ্ত মানুষের ভালো সংখ্যা অাজও ক্ষতিপূরণ পায়নি। তেমনি কোলাঘাট ও বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির জমি নেওয়ার পর অাজও ৫০০০ চাষি কার্যত সম্পূর্ণ বেকার। কাজেই বিকল্পের কথা কোথাও তেমন কার্যকর হচ্ছে না। ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তরের প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশিত এবং মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা দ্বারা ঘোষিত নগরায়ন ও শিল্পায়নের জন্য প্রতি বছর ৫০ হাজার একর কৃষিজমি চলে যাচ্ছে। গত পাঁচ বছরে প্রায় অাড়াই লক্ষ একর কৃষিজমি অকৃষি জমিতে রূপান্তরিত হয়েছে। ১৯৯৫-৯৬ এবং ২০০১-এর মধ্যে প্রতিবছর ৫৮.৩২ একর কৃষিজমি অ-কৃষিতে রূপান্তরিত হয়েছে। ৫ বছরের হিসাবে দেখা গেছে ২,৯১,৬২০ একর কৃষিজমি চলে গিয়েছে।...

Read More

রাজারহাট-নিউটাউন : উপনগরীর অন্তরালে অার্ত মানুষের কান্না

দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকা ছোট এই পুস্তিকা প্রকাশের কয়েকদিনের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যায়। রাজারহাটের সেই অকথিত কাহিনী রাজ্যের বিভিন্ন জেলার মানুষ জানতে পেরেছেন। কিন্তু চাহিদা যে পরিমাণ তা মেটানো অামাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না। ইতিমধ্যেই বেদিক ভিলেজ কাণ্ড রাজারহাট-নিউটাউনকে অাবার সংবাদ শিরোনামে নিয়ে অাসে। ‘উন্নয়নের’ প্রশ্নে রাজ্যের শাসক দল ও প্রধান বিরোধী দলের মধ্যে যে ‘ঐকমত্য’ গড়ে উঠেছে, তার চরম প্রকাশ দেখা গেল বেদিক ভিলেজ কাণ্ডে। উন্নয়ন-সন্ত্রাসের সেই ঐকমত্যে রাজারহাট-ভাঙড় অঞ্চলের কৃষক ও গরিব মানুষ অাজ দিশাহারা, সর্বস্বান্ত। এখন অাবার শুরু হয়েছে নতুন ‘তরজা’। কে কত কৃষক দরদী তা প্রমাণের তরজা। সবই ২০১১-র নির্বাচনকে মাথায় নিয়ে। রাজ্যবাসী তা বিলক্ষণ বুঝতে পারছেন। পুনঃপ্রকাশের সময় অামরা প্রথম সংস্ককরণের ২/১টি তথ্য-প্রমাদ শুধরে নিয়েছি। এর সঙ্গে বেদিক ভিজেল, অলিভ গার্ডেন সহ উপনগরীর অন্তরালে যে যৌন-পর্যটন শিল্প(?) রমরমিয়ে চলছে, যা বামফ্রন্ট সরকারের নয়া ‘শিল্পোদ্যোগ’ হিসাবে বিজ্ঞাপিত হচ্ছে, তার লজ্জাজনক ছবি পাঠকের কাছে অামরা রাখলাম। পাঠকদের মতামত ও পরামর্শ অামাদের পাথেয়। অার রাজারহাট-ভাঙড়-নিউটাউনের জমিহারা কৃষকদের লড়াই একদিন জয়যুক্ত হবে, এই বিশ্বাস অামাদের অাছে। জনগণের চোখে উন্নয়নের প্রতারণা এবং প্রতারক দলগুলোর চরিত্র যত দ্রুত উন্মোচিত হবে ততই রাজ্যের...

Read More

বিশ্বায়নের রাহুগ্রাস সরকারী বামপন্থা

প্রকাশনার কথা কলকাতা বইমেলা-২০০৪ উপলক্ষ্যে “অাজকের দেশব্রতী”র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হল। এবারের প্রকাশনার মূল ভাবনা — “বিশ্বায়নের রাহুগ্রাসে সরকারী বামপন্থা”। সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বায়ন সর্বগ্রাসী অাক্রমণাত্মক বিধ্বংসী প্রবণতা হয়ে উঠেছে। এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধও দানা বাঁধছে — নানা দেশে নানা ভাবে। সেই অালোচন এই বইটিতে রয়েছে। উপস্থাপনা ক্রমশ গড়িয়েছে সার্বিক থেকে বিশেষে। ভারতে বিশ্বায়নের হামলার বিরুদ্ধে শ্রমিকশ্রেণীর কর্তব্যকর্ম এবং বিশেষত বিহারের কৃষক জাগরণের কথাকাহিনীর বিশ্লেষণও এখানে অাছে। অবশেষে অালোচনা কেন্দ্রীভূত হয়েছে পশ্চিমবাংলার পরিপ্রেক্ষিতে, যেখানে সংসদীয় পথের সরকারসর্বস্ব বামপন্থা প্রায়শ দাবি করে মোহ ছড়ায় বিশ্বায়নের নয়া অর্থনৈতিক নীতির ‘বিকল্প নীতি’ অনুসরণ করছে, কিন্তু এই ক্ষমতাসীন বামপন্থা অাসলে কিভাবে দ্বিচারিতার পিচ্ছিল প্রক্রিয়ায় বিশ্বায়নের অনুঘটক হয়ে উঠছে, সেই বিশ্লেষণ উপস্থিত করা হয়েছে নানা দিক থেকে। বিশ্বায়নের এদেশে এরাজ্যে অনুপ্রবেশ প্রকৃত জটিল স্বরূপকে অনুধাবন করতে ও একে কার্যকরীভাবে মোকাবিলা করতে সংগ্রামী বামপন্থী বিবেককে জাগিয়ে তোলাই এই বইটি প্রকাশের বিশেষ উদ্দেশ্য। এই উদ্দেশ্য পূরণ হলে বইটির প্রকাশনা সার্থক হবে। দেশব্রতী, ২৮ জানুয়ারী...

Read More

প্রতিরোধ কর দুর্নীতি

ভূমিকা ভারতবাসীর সামনে দুর্নীতির সমস্যা নিঃসন্দেহে অাবার একবার প্রধান উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনই দেশে কোনো না কোনো প্রান্তে নতুন নতুন কেলেঙ্কারির ঘটনা সামনে অাসছে। যে কোনো সরকারের যে কোনো বিভাগের নামই কেলেঙ্কারিতে যুক্ত হয়ে পড়ছে, বাদ নেই সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ কর্তা, বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ স্তরের মাননীয় বিচারপতিরা বা বিজ্ঞান ও গবেষণার সর্বোচ্চ সংস্থার কর্তাব্যক্তিরা। এইসব কেলেঙ্কারিতে অর্থ লোপাটের সঠিক পরিমাণ সবক্ষেত্রে স্পষ্ট নয় এবং পরিমাপ করাও সহজ নয়। কিন্তু সমস্ত দুর্নীতিই সুবিচার ও স্বচ্ছতার মৌলিক ধারণাকে নস্যাৎ করে ব্যক্তি স্বার্থে লোকহিতকে বিসর্জন দেয়। যে হারে, যে বিস্তৃতিতে ও যে মাপে দুর্নীতিগুলো ঘটছে, তাতে একথা সহজেই বলা যায় যে অাজকের দিনে দুর্নীতি নিছক কোনো ভুল নয় বরং কর্পোরেট জমানার শাসন ব্যবস্থার পরিচয় চিহ্ন এই দুর্নীতি। মজার বিষয় হল, ভারতে কেলেঙ্কারির তালিকা যতই দীর্ঘ হয় ততই দীর্ঘতর হতে থাকে বিভিন্ন সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করার তালিকাও, অথচ কোনও একজন অপরাধীকেও শাস্তি দেওয়ার দৃষ্টান্ত এখনও ভারতীয় বিচার ব্যবস্থা তৈরি করতে পারেনি। তদন্ত ঝিমিয়ে গেছে অার অপরাধীরা ছাড়া পেয়েছে এমন নজির অগুণতি। দুর্নীতিগ্রস্তদের, বিশেষত উচ্চ ক্ষমতাশালী দুর্নীতিগ্রস্তদের এই রক্ষাকবচ পাওয়ার বিষয়টির মূল করাণ ভারতের দুর্নীতি নিরোধক ব্যবস্থাপনাটিরই অন্তর্নিহিত অন্তঃসারশূন্যতা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে অর্থপূর্ণ ও ধারাবাহিক অভিযান চালাতে হলে তার দুটি দিক থাকা তাই অবশ্য প্রয়োজনীয়। প্রথমত যে রাজনৈতিক অাবহ ও নীতিসমূহের কারণে দুর্নীতির এই বাড়বাড়ন্ত তাকে চ্যালেঞ্জ জানানো দরকার। এবং সেই সাথে দরকার, দুর্নীতির হোতাদের বিচারের অাওতায় অানতে একটি কার্যকরী দুর্নীতি প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার জন্য লড়াই চালানো। গোটা দেশকে কব্জা করে ফেলা এই দুর্নীতিচক্রকে...

Read More

বামফ্রন্ট সরকারের পতন ও বামপন্থী পুনরুজ্জীবনের চ্যালেঞ্জ

দ্বিতীয় সংস্করণের কথা “বামফ্রন্ট সরকারের পতন ও বামপন্থী পুনরুজ্জীবনের চ্যালেঞ্জ” শীর্ষক এই পুস্তিকাটি প্রথমবার প্রকাশিত হয় গত ২১ জানুয়ারী ২০১২। তার মাত্র এক মাসের মধ্যেই এক হাজার কপি নিঃশেষ হয়ে যায়। কলকাতা বইমেলায়ও পুস্তিকাটি বিক্রির পরিমাণ ছিল বেশ নজরকাড়া। তারপরেও চাহিদা রয়েছে বেশ ভালোরকম। এইসব বিচার করে পুস্তিকাটির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং অারও পরিবর্থিত অাকারে সমৃদ্ধ করার প্রয়াস চালানো হয়েছে। তার অঙ্গ হিসাবে অারও দুটি প্রতিবেদনের সংযোগন করা হয়েছে। একটি হল “ইকনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি”-তে প্রকাশিত অন্যতম এক সমাজতান্ত্রিক হীরেন গোহাই লিখিত পর্যালোচনা, অপর পর্যালোচনাটি নেওয়া হয়েছে সিপিঅাই(এমএল) লিবারেশনের কেন্দ্রীয় মুখপত্র “লিবারেশন” থেকে। গ্রন্থনায়ও কিছু পরিবর্তন করতে হয়েছে। অার বলাবাহুল্য, কলেবর কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় কিঞ্চিত মূল্যও বাড়াতে হয়েছে। পুস্তিকার এই দ্বিতীয় সংস্করণ চাহিদা পূরণে সমর্থ্য হবে অাশা রেখে কথা শেষ করা যাক। সম্পাদকমণ্ডলী, অাজকের...

Read More

মার্কসবাদের কষ্ঠিপাথরে উন্নয়ন বিতর্ক

প্রকাশকের কথা “হ্যাঁ, শ্রী প্রভাত পট্টনায়কের বক্তব্য অামি দেখেছি। শিল্পয়ন সম্পর্কে তিনি যা বলেছেন তার সঙ্গে অামার গুরুতর মতপার্থক্য অাছে — অ্যাকাডেমিক ব্যক্তিবর্গ বাস্তব জগতটা বোঝেন না”। ৩০ জুন সিএনএন-অাইবিএন-এর সঙ্গে একটি সাক্ষাতকারে বললেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কী এমন লিখেছিলেন সিপিএমের সবচাইতে প্রতিষ্ঠিত অর্থনীতিবিদ, যিনি সর্বভারতীয় স্তরে পার্টি ক্লাসও নিয়ে থাকেন এবং বর্তমানে কেরলে রাজ্য পরিকল্পনা বোর্ডের চেয়ারপার্সন, যে তাঁর বিরুদ্ধে এভাবে ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় মুখ খুলতে হল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে। শ্রী পট্টানায়কের উল্লিখিত লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল ইপিডব্লিউ পত্রিকায় ২৫ মে ২০০৭ সংখ্যায়। অমরা নিবন্ধটি এখানে পুনঃপ্রকাশ করলাম, সঙ্গে দিলাম তাঁর অার একটি এবং অশোক মিত্রের একটি রচনার কিছু অংশ। এবং অবশ্যই শ্রী ভট্টাচার্য ও নিরুপম সেনের লেখা ও সাক্ষাতকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইপিডব্লিউ পত্রিকায় প্রকাশিত “জনৈক সিপিএম সমর্থকের” একটি লেখাও কিছুটা সংক্ষিপ্ত অাকারে অামরা ছাপিয়ে দিলাম। উন্নয়ন প্রসঙ্গে অামাদের বক্তব্যও একটি প্রবন্ধ অাকারে অামরা হাজির করেছি, পুনঃপ্রকাশ করেছি সপ্তম বামফ্রন্ট ক্ষমতাসীন হওয়ার পরক্ষণে রচিত অার একটি প্রাসঙ্গিক প্রবন্ধ। উদ্দেশ্য একটাই। পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের শিল্পায়ন/উন্নয়নের পথ ও প্রকরণ নিয়ে বামপন্থী বিতর্কের গভীরে প্রবেশ করা। এই বিতর্ক নিছক অর্থশাস্ত্রী ও রাজনীতিবিদদের কচকচি নয়। রাজ্যবাসী ও দেশবাসীর ভালো-মন্দ একেবারে সরাসরি এর সঙ্গে জড়িত। তাই অাপনিও এতে অংশ নিন। অাপনার মূল্যবান মতামত পাঠিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ককে সমৃদ্ধ করুন, সঠিক সমাধানে পৌঁছাতে সাহায্য করুন। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি সিপিঅাই(এমএল) লিবারেশন অাগস্ট...

Read More

LIBERATION NOVEMBER 2017 COVER