COMMENTARY

Big Bounties for the Corporate Biggies,

[“This budget belongs to the aam aadmi,” said Finance Minister Pranab Mukherjee in his budget speech. But what really is the UPA’s yardstick for the aam aadmi? Pranab Mukherjee has defined the aam aadmi for our benefit. The aam

...Full Text

Serving up BSNL for Private Loot

In 1987, Sam Pitroda, celebrated consultant of the corporate world, started the process of corporatisation of the Indian Telecom Sector. The formation of BSNL in 2000 too was part of the process of corporatiisation. Now Pitroda has emerged again to complete the

...Full Text

Women’s Reservation Bill

After being passed in the Rajya Sabha, the Women's Reservation Bill yet again seems to have hit an impasse, with its future uncertain. To understand the politics of the Women's Bill, it is necessary to go beyond the rhetorical postures

...Full Text

Not Cricket:

Put a Stop to IPL's Corrupt Corporate Carnival "What do they know of cricket who only cricket know?" – that is how Trinidadian Marxist and noted cricket writer C L R James had commented on the deep interweaving of cricket with

...Full Text

Food Security Farce

India has a shameful track record of tackling hunger: worse even than some of the poorest countries in the world. According to the UN’s Global Hunger Index 2009, which ranked countries on three leading indicators – prevalence of child malnutrition, rates

...Full Text

A Bill to Kill Higher Education

The union cabinet has given the green signal to Kapil Sibal to table the Foreign Educational Institution (Regulation of Entry and Operation) Bill, 2010, in the Parliament. Part of Sibal’s much touted 100 day agenda, the Bill proposes to make laws

...Full Text

Massacre Masterminds Escape Justice

13 years after the brutal massacre of landless poor by the Ranveer Sena at Laxmanpur Bathe in Jehanabad, Bihar, the Additional District and Sessions Court of Patna sentenced 16 Ranveer Sena men to death and 10 to life imprisonment. The verdict, though belated,

...Full Text

মে ২০১৬-র রায় এবং বামেদের জন্য বার্তা

গোটা ২০১৫ জুড়ে একের পর এক নির্বাচনী বিপর্যয়ের পর সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি অাবার বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করল। পশ্চিমবাংলা ও কেরলে নিজের খাতা খোলা এবং এই দুটি রাজ্যে ভোট শতাংশ চোখে পড়ার মতো দুই অঙ্কে অর্জন করার পাশাপাশি এই প্রথম তার রাজনৈতিক উপস্থিতি ও সম্ভাবনাকে বিরাটভাবে বাড়িয়ে তুলল। ক্ষমতার মসনদে দু-বছর অাসীন হওয়ার পর প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রে মোদি সরকার যখন দ্রুতগতিতে বিশ্বাসযোগ্যতা হারানো শুরু করেছে তখন অসম বিজয় বিজেপির মনোবলে বহু প্রতীক্ষিত উৎসাহ যোগাবে। অসম ও কেরল, এই দুটো রাজ্যে কংগ্রেস বিরাটভাবে পরাজিত হয়েছে। যখন কেরল পাঁচ বছর অন্তর সরকার বদলের এক প্রতিষ্ঠিত প্রবণতাকে হাজির করেছে, সেই প্রেক্ষিতে এল ডি এফ-এর বিজয় সেই প্রবণতারই অঙ্গ। গত ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার ফলে অসম হাতছাড়া হওয়াটা কংগ্রেসকে সত্যিকারে ভালোই ধাক্কা দিয়েছে। কিছুদিন অাগে পর্যন্ত অসম রাজ্যে অাশু ক্ষমতায় চলে অাসাটা বিজেপি প্রত্যাশাই করতে পারত না, যদিও সেই সম্ভাবনা ছিল, অার হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে অবলম্বন করে বিজেপি সর্বদাই 'বিদেশী নাগরিক'-এর মতো সংবেদনশীল ইস্যুটিকে ধরে নিজের ফায়দা লোটার জন্য মুখিয়েই ছিল। অসমে কংগ্রেসের ভাঙ্গন এবং বেশ কিছু বিধায়ককে ভাঙ্গিয়ে তরুণ গগৈ-এর একদা ঘনিষ্ঠ সহযোগী হেমন্ত বিশ্বশর্মার বিজেপিতে যোগদান এবং এজিপি-বিজেপি জোট অসম রাজ্যে বিজেপির সম্ভাবনাকে উজ্জ্বল করল। এই সুযোগের ফসলকে দুহাতে তুলতে বড়ো সহ বিজেপি বেশ কয়েকটি ছোটখাটো উপজাতির কাছে পৌঁছে যায়, অার অপরদিকে সঙ্গী খুইয়ে কংগ্রেস নির্বাচনী যুদ্ধে অবতীর্ণ হল একা, বিশ্বাসযোগ্যতা খুইয়ে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটের এই বিপুল জয়ের ফলে বিজেপি এখন এক সুবিধাজনক অবস্থানে এসেছে যা গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তার উপস্থিতিকেই অারও শক্তিশালী করবে। অার এস এস-বিজেপির হিন্দুত্ববাদী কাঠামোর মধ্যে অসমীয়া অাঞ্চলিকতাবাদকে অন্তর্ভুক্ত করাটা উদ্বেগজনক এক রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করে নিয়ে চলেছে অসম-এর মতো সংবেদনশীল ও বৈচিত্র্যময় জাতি-ধর্মভিত্তিক রাজ্যে নিজস্ব বিপজ্জনক বিভেদকামী এজেন্ডাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবার অার এস এস-এর কোনো বাধা থাকল না। দুটো রাজ্যে কংগ্রেস ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই দলটি দাক্ষিণাত্যে স্রেফ কর্ণাটক ও হিমালয় রাজ্যগুলোর মধ্যে হিমাচল, উত্তরে উত্তরাখণ্ড, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মেঘালয় ও মিজোরাম-এ শাসন ক্ষমতায় রয়েছে। অার, নিশ্চিতভাবেই বিজেপি সর্বভারতীয় স্তরে ভারতবর্ষের শাসকশ্রেণীর প্রাধান্যকারী দল হিসাবে নিজের অবস্থানকে মজবুত করল। অসম ও কেরলের ধাক্কা কংগ্রেসের অভ্যন্তরে নেতৃত্বের ও দিকনির্দেশের সংকটকে গভীরতর করল এমনই একটা সময়ে, যখন সে নিজেকে পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের মতো পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনগুলোতে প্রস্তুত করতে শুরু করেছে। নিজের ঘরকে ঠিক রাখতে কংগ্রেস বেশ কঠিন অবস্থার সম্মুখীন হবে অার বিজেপি-বিরোধী শিবিরের অাঞ্চলিক পার্টিগুলোর ক্রমবর্ধমান চাপকেও তাকে সইতে হবে। কংগ্রেস ও বিজেপি ছাড়া, অাঞ্চলিক দলগুলো এবং সিপিঅাই(এম) নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্টকেও এই নির্বাচনে অনেক কিছু বাজি রাখতে হয়েছিল। কর্তৃত্ববাদী ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ শাসন পরিচালনার ফলে ক্রমবর্ধমান মোহমুক্তি, রাজ্যে গভীর কৃষি ও শিল্প সংকট, চেন্নাই ও তামিলনাড়ুর উপকূল অঞ্চলে সাম্প্রতিক বন্যাকে মোকাবিলা করার প্রশ্নে বিরাট প্রশাসনিক ব্যর্থতা সত্ত্বেও তামিলনাড়ুতে এ অাই এ ডি এম কে নির্ধারক জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। ডি এম কে-কংগ্রেস জোট তাদের অবস্থাকে উন্নত করলেও ক্ষমতার মসনদ থেকে এ অাই এ ডি এম কে-কে হটানোর ধারে-কাছেও অাসতে পারেনি। তামিলনাড়ুতে, সিপিঅাই এবং সিপিঅাই(এম) পিপলস ওয়েলফেয়ার ফ্রন্ট নামে এক কর্মসূচীভিত্তিক বিকল্প বানাবার ধারণা নিয়ে সামনে অাসে। তাতে ভি এসকে এবং ভাইকোর এম ডি এম-কে রয়েছে, যারা কিছুদিন অাগে পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গে ছিল। কিন্তু নির্বাচন যত এগিয়ে অাসতে থাকে, ততই তারা অভিনেতা বিজয়কান্তের নেতৃত্বাধীন ডি এম ডি কে এবং জি কে ভাসানের নেতৃত্বে কংগ্রেস থেকে ভেঙ্গে বেরিয়ে অাসা গ্রূপের মতো ধিক্কৃত শক্তিগুলোর সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা করে বসে। এই প্রক্রিয়ায়, বাম ও এমনকি পি ডব্লিউ এফ পেছনে চলে যায়, অার মঞ্চটাই বিজয়কান্তকে প্রত্যাশী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তুলে ধরার বাহনে রূপান্তরিত হয়। গোটা প্রচেষ্টাটা বিরাটভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে, বিজয়কান্ত ভোটে তৃতীয় স্থানে চলে অাসে, অার তার দলের ভোট ৩ শতাংশেরও কম হয়। সি পি অাই (এম)-এর কাছে কেরল ও পশ্চিমবাংলা ছিল বড় লড়াইয়ের ক্ষেত্র। কেরলে গোষ্টী দ্বন্দ্বে দীর্ণ সংগঠনটিকে দুর্নীতিগ্রস্ত কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী বিরোধীপক্ষের ভূমিকায় সি পি অাই (এম) নামতে সক্ষম হয় এবং নব্বই-ঊর্ধ্ব 'বিদ্রোহী' জনপ্রিয় নেতা ভি এস অচ্যুতানন্দের নেতৃত্বে জোরালো প্রচারের সাহায্যে নির্ধারিত জয় হাসিল করে। অার কংগ্রেসের সম্ভাবনাকে পণ্ড করে দিল বিজেপি ব্লকের লক্ষ্যণীয় হারে ভোট বৃদ্ধি, যা নজিরবিহীনভাবে হয়ে দাঁড়াল ১৫ শতাংশ (তার জোট সঙ্গী ভারত ধৰ্ম সেনা পেয়েছে ৩.৯ শতাংশ ভোট)। ইয়েচুরি যতই অার এস এস-কংগ্রেসের অঘোষিত বোঝাপড়ার অভিযোগ অানুক না কেন, ঐ ভোট এসেছে কংগ্রেসকেই বিপদে ফেলে। বহুদিন যাবত অার এস এস কেরলে বেশ সক্রিয় ও সংগঠিত হয়ে কাজ করছে। উত্তর কেরলে কান্নুর জেলায়, অারএসএস এবং সিপিঅাই(এম)-এর মধ্যে সংঘর্ষ এমনকি নির্মম হত্যাকাণ্ড সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রায়শই ঘটে চলেছে। এই প্রথম বিজেপি তার ক্রমবর্ধমান উপস্থিতিকে নির্বাচনী জয়ে রূপান্তরিত করল। কিন্তু একটা অাসনে জয় হলেও, বিজেপির ক্রমবর্ধমান প্রাপ্ত ভোটের হার রাজ্যে বিরাটভাবে অবহেলিত অাদিবাসী জনতার মধ্যে তাদের বেড়ে চলা প্রভাব (সোমালিয়ার সঙ্গে মোদির কেরলের তুলনা রাজ্যের অাদিবাসী অঞ্চলে বঞ্চনার পরিপ্রেক্ষিতে উঠে অাসে, যা অনেকেই 'অপমান' বলে গণ্য করে) এবং ভারত ধর্ম জন সেনার মতো বিজেপি জোট সঙ্গীর উত্থান চোখে পড়ার মতো। পরম্পরাগতভাবে কেরলের দ্বিমেরুকৃত রাজনীতিতে এখন নিশ্চিতভাবেই তৃতীয় শক্তির অাবির্ভাব ঘটল বিজেপির মাধ্যমে। কেরলের থেকেও পশ্চিমবাংলা সি পি অাই (এম)-এর কাছে সামনে এল বৃহত্তম রণাঙ্গন হয়ে, অার বাংলার এই লড়াইয়ে সে পর্যুদস্ত হল পুরোপুরি। নির্বাচনী ফলাফল স্পষ্টতই দেখাচ্ছে যে, বামফ্রন্টের একদা সবচেয়ে শক্তিশালী ঘাঁটি গ্রামবাংলায় সিপিঅাই(এম) এখনও তার শক্তি পুনরুদ্ধার করতে পারেনি। রাজ্যে ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করতে কংগ্রেসের সঙ্গে সুবিধাবাদী জোট অবমাননাকর বিপর্যয়ে পরিণত হল। সিপিঅাই(এম) এবং বামফ্রন্ট অাজ পর্যন্ত সর্বনিম্ন ৩২ অাসন পেল যা ২০১১-র প্রায় অর্ধেক। অার অপরদিকে সিপিঅাই(এম)-এর থেকে ভোট স্থানান্তরিত হয়ে শক্তিবৃদ্ধি ঘটিয়ে ৪৪টি অাসন দখল করে কংগ্রেস দ্বিতীয় বৃহত্তম পার্টি হিসাবে অাত্মপ্রকাশ করল। ৩৪ বছরের নিরবচ্ছিন্ন শাসনপর্বের পরে ২০১১-র পরাজয় যদি সিপিঅাই(এম)-কে মারাত্মক চোট দিয়ে থাকে তবে এবারের বিপর্যয় সেই অাঘাতে যুক্ত করেছে প্রাণঘাতী অাবমাননা। এপ্রিল ২০১৫-তে বিশাখাপত্তনমের কংগ্রেসে পার্টির গৃহীত রাজনৈতিক লাইনের অালোকে এই জোটকে যুক্তিগ্রাহ্য করতে অক্ষম হয়ে সিপিঅাই(এম)-এর নেতারা বাংলার জোটকে নিছকই মানুষের ইচ্ছায় অাসন রফা বলে ব্যাখ্যা করেছেন। পশ্চিমবাংলায় সকলেই বোঝেন যে এর মধ্যে রাজনৈতিক সত্যতার লেশমাত্র নেই। নির্বাচনী জোট ও বোঝাপড়ার ফারাক নিছক কোনো নামকরণের মধ্যে নিহিত নেই। রাজ্যের বাইরের সিপিঅাই(এম)-এর পলিটব্যুরো বা কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা কংগ্রেসী নেতাদের সঙ্গে একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন কি দিলেন না, তা দিয়েও বিষয়টা নির্ধারিত হয় না। এই সমন্বয়কে 'মানুষের জোট' হিসাবে বিজ্ঞাপিত করা হয়, রাজ্য জুড়ে যৌথভাবে প্রচার চলে এবং সিপিঅাই(এম)-এর রাজ্য সম্পাদক ও পলিটব্যুরো সদস্য সূর্যকান্ত মিশ্রকে জোট সরকারের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তুলে ধরা হয়। রাজনৈতিক ক্ষমতাকে ভাগ বাটোয়ারা করে নিতে এই যে রাজনৈতিক তৎপরতা দেখানো হল তা কিন্তু তথাকথিত নির্বাচনোত্তর 'বাধ্যবাধকতা' থেকে উৎসারিত নয়, বরং সেটা ছিল সচেতন এক প্রাক নির্বাচনী ছক – নির্বাচনী প্রচারের সময়ে মঞ্চ ভাগাভাগির কূটনৈতিক চিত্রনাট্য থেকে অনেক বেশি। এটা সকলেরই জানা যে কংগ্রেসের ভোট কয়েকটি জেলায় সীমাবদ্ধ, অার রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তে তা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। সিপিঅাই(এম) তার ভোট কংগ্রেসের ঝুলিতে ভরল অার সাবেক কংগ্রেসী ভোটাররা তৃণমূল অথবা নোটার দিকে ঝুঁকলো বেশিরভাগ অাসনে, যেখানে বামেদের প্রার্থী ছিল। কার্যত বহু অাসনে কংগ্রেসের প্রচার নির্ভর করেছিল সংগঠিত বাম ক্যাডারদের শক্তি ও কর্মতৎপরতার ওপর। বামেদের বিরুদ্ধে যে সমস্ত অাসনে কংগ্রেস ''বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা

...Full Text

Nirupama’s Murder:

The Violence of the 'High-Born' In every home a burning ghat In every home a gallows In every home are prison walls Colliding against the walls She falls Gorakh Pandey, 1982 Nirupama, a bright young journalist, had made her break for

...Full Text

Jharkhand: New Act in the Political Theatre of Opportunism and Corruption

Jharkhand is witnessing a new act in the theatre of the absurd that has marked the state’s politics in the decade since its formation. In the past ten years, the state saw seven governments, with the state’s ruling

...Full Text

Orissa : New Chapter of State Brutality on People’s Movements

In Orissa today, police have a free hand to shoot and corporations a free hand to loot. Naveen Patnaik, from behind his charade of ‘peaceful industrialisation’, has emerged as one of the most trigger-happy lieutenants to displace and evict the

...Full Text

The Network of ‘Hindutva’ Terror

Almost a year and a half after the Maharashtra ATS arrested Sadhvi Pragya and a serving officer in the Indian Army, Lt. col. Purohit, for their alleged involvement in the Malegaon bomb blasts of 2008, the Rajasthan ATS arrested Devendra Gupta

...Full Text