WORKING CLASS

Grasp the new dynamics of ongoing working class movement! :: Strive for a planned expansion of our TU base!

The 8th All India Conference is due to be held in the second week of November, 2011 at steel city Bhilai, one of the important industrial centres of Chhattisgarh. The crucial point in this Conference is how to rise above the

...Full Text

BSNL: GRAVE YARD FOR WORKERS

Minister for Communications and Information Technology, Kapil Sibal, a staunch proponent of no-loss theory vis-à-vis the 2G scam, has unveiled the New Telecom Policy (NTP) 2011. This has come out in the midst of charges against the erstwhile FM P

...Full Text

Maruti Workers’ Strike

The prolonged lockout at the Maruti’s Manesar plant had ended on October 1 with a setback for the workers. In the agreement with the management, the workers agreed to sign the thoroughly illegal ‘Good Conduct bond’ that the management imposed

...Full Text

An Early May Day In Bengaluru: Those Who Make in India, Revolt in India

Clifton D’Rozario on the garment workers’ uprising in Bengaluru This year, May Day came early to Bengaluru and the nearby towns of Maddur, Ramanagara, Nelamangala and Srirangapatna, and was celebrated with inspiring militancy over two days, 18th and 19th

...Full Text

Pricol Workers’ Struggle Goes On

Pricol workers – and workers all over the country in solidarity with them - are struggling to free the eight Pricol comrades who have been convicted and sentenced to double life imprisonment in a vicious verdict calculated to discipline and intimidate

...Full Text

10th year of Pricol Workers’ Struggle Commenced

Pricol workers held a meeting on 13 March 13 to celebrate the commencement of the 10th year of their struggle for workers’ rights and dignity. The whole area around the venue was decorated with red flags which announced that the efforts of

...Full Text

Mahadharna by Contract and Honorarium Workers

In response to the call by the Bihar Rajya Anubandh-Mandeya-Niyojit Sewakarmi Sanyukt Morcha, about 1000 contractual-honorarium workers belonging to 17 unions (affiliated as well as not affiliated to the Morcha) staged a massive protest on 1 March 2016 in Gardanibagh, Patna, on the following

...Full Text

প্রিকল-এর অাট জন শ্রমিককে মুক্তি দাও!

অাট জন শ্রমিককে দ্বিতীয় বারের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের স্বার্থে লড়াই করার 'অপরাধে' এবং ট্রেড ইউনিয়নে সংগঠিত করার জন্যই তাঁদের দেওয়া হয়েছে এই সাজা। সম্ভবত এটাই হল প্রথম এমন এক ঘটনা, যেখানে শ্রমিক বা ট্রেড ইউনিয়নের বিরুদ্ধে এরকম এক রায় দেওয়া হয়েছে, অার যেখানে শ্রমিকদের অধিকারের প্রশ্নে পুঁজিপতি/কর্পোরেট ঘরানার তীব্র ঘৃণা, পক্ষপাতদুষ্ট মনোভাব ও শত্রুতা পরিষ্কারভাবেই ফুটে উঠেছে। রায়দানের বার্তা খুবই স্পষ্ট – যদি তুমি মাথা তুলে দাঁড়াও, যদি তুমি তোমার পছন্দমতো ইউনিয়ন গঠন কর, যদি তুমি তোমার অধিকার ও মজুরি সংক্রান্ত ব্যাপারে কথাবার্তা বল, তোমাকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। গোটা দেশজুড়ে লাগাতারভাবেই শ্রমিকশ্রেণীকে এই বার্তা দেওয়া হচ্ছে। প্রিকল লিমিটে‌‌ড অটোমোবাইল যন্ত্রাংশের উৎপাদক এবং কোয়েম্বাত্তুর, পুনে, গুরগাঁও ও উত্তরাখণ্ডে রয়েছে তাদের ইউনিট। বিদেশে, যেমন ইন্দোনেশিয়া ও ব্রাজিলেও রয়েছে তাদের ইউনিট। রিয়েল এস্টেট, নির্মাণ, ভ্রমণ, অাতিথেয়তা ক্ষেত্রে রয়েছে এদের কারবার। প্রিকল লিমিটেড-এর শ্রমিকরা (কোয়েম্বাত্তুর) শ্রমকানুন রূপায়ণ এবং অাইন মোতাবেক মজুরির দাবিতে অান্দোলন করছিলেন। এজন্য তাঁরা নিজেদের ইউনিয়ন গঠন করেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষ এই ইউনিয়নকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করে। ৩ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে কোয়েম্বাত্তুর সেশন কোর্ট (দায়রা অাদালত) প্রিকল ইউনিয়নের (কোয়েম্বাত্তুর জেলা প্রিকল ওয়ার্কার্স ইউনিটি ইউনিয়ন) ৮ জন শ্রমিক – গুনাবালান, মনিভান্নান, রাজেন্দ্রন, রামামূর্তি, সম্পত কুমার, সরভান কুমার, শিবকুমার ও ভি ভেলমুরুগন-কে দু-দুবারের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছে। শ্রমিক অান্দোলনের ওপর এক পরিকল্পিত অাক্রমণ : 'কোনো ধরনের অপরাধ বা এমনকি খুনের সাক্ষ্য না পাওয়া গেলেও এই রায়দানের নির্মমতা প্রমাণ করে যে অার যাই হোক, এটা কয়েকজন অভিযুক্ত শ্রমিকের বিরুদ্ধে সাধারণ এক বিচার নয়। বরং এটা হল, ভারতের শ্রমিক অান্দোলনের ওপর এক পরিকল্পিত সতর্কবার্তা – শ্রমকানুন ও ইউনিয়নের ওপর হালের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক হামলা মেনে নাও, নচেৎ অপরাধে অভিযুক্ত করা হবে।' স্পষ্টতই বোঝা যায় যে শ্রেণীযুদ্ধে এই রায় কর্পোরেটদের স্বার্থে রচিত হয়েছে সেই একই পথ ধরে, যেখানে বিহারের বাথানিটোলা ও লক্ষ্ণণপুর বাথের দলিত গণহত্যার খুনিরা বেকসুর খালাস পেয়ে যায়, অার বিপরীতে জেহানাবাদে সামন্ত শক্তির হাত থেকে নিজেদের পুকুর (?) বাঁচাতে অান্দোলনরত ১৪ জন কৃষককে ২০০৩ সালে টাডা অাইনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাঁরা একজনেরও জীবন কাড়েনি। বার্তাটা পরিষ্কার – দরিদ্র, শ্রমিক এবং দলিতদের রক্ত হিসেবের মধ্যে ধরা হয় না। অার, ধনী ও ক্ষমতাবান, পুঁজিপতি ও সামন্তবাদী শক্তিদের অপরাধগুলোকেও অাদৌ গণ্য করা হয় না অপরাধ হিসাবে। এবার এমনই একটা উদ্যোগ নেওয়া হল যাতে ভারতবর্ষের শ্রমিকদের এটা শিক্ষা দেওয়া যায় যে ট্রেড ইউনিয়ন কার্যকলাপকে সংগঠিত অপরাধ বা সন্ত্রাসবাদের সমগোত্রীয় হিসাবেই গণ্য করা হবে – অার শাস্তি দেওয়া হবে নির্মম সাজা ঘোষণা করে। মানেসর (মারুতি), নয়ডা (গ্রাসিঅানো) ও শাহিবাবাদ (অ্যালায়র্ড নিপ্পন) সহ গোটা দেশের বহু জায়গায় শ্রমিকদের বছরের পর বছর কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। শিকাগোর হে মার্কেটে যে ৮ জন শহীদ শ্রমিকের স্মরণে দুনিয়াজুড়ে এখনও ১ মে শ্রমিক দিবস হিসাবে পালিত হয়, তাদেরও ষড়যন্ত্র ও হ্ত্যার মতো মিথ্যা মামলায় শাস্তি দেওয়া হয়েছিল, কারণ তাঁরা শ্রমিকদের স্বার্থে ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে লড়াই করেছিলেন। অাজ ১৩০ বছর পরেও অান্দোলনরত শ্রমিকদের একইভাবে মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সেদিন শ্রমিকশ্রেণী বিজয়লাভ করে এবং অর্জন করে ৮ ঘণ্টা কাজের অধিকার। সমস্ত ধরনের ষড়যন্ত্র এবং পুঁজিপতি শ্রেণী কর্তৃক মিথ্যা মামলা সত্ত্বেও শ্রম ও মজুরির লুঠের বিরুদ্ধে শ্রমিকশ্রেণী অাজও বিজয় অর্জন করবে। প্রিকলে হয়েছিলটা কী? অার তারপর কোর্টেই বা কী হয়েছিল? সেপ্টেম্বর ২০০৯-এ প্রিকল মানবসম্পদ বিভাগের সহ সভাপতি রায় জে জর্জ-এর মর্মান্তিক মৃত্যু, যা এই মামলায় ষড়যন্ত্রের বনিয়াদ হিসাবে সামনে এল, সেই ঘটনার পূর্বেকার ঘটনাক্রম নিয়ে অালোচনা করব। ইউনিয়ন নেতৃত্ব ও শ্রমিকদের সফল অান্দোলনকে অাক্রমণ করতেই ঐ ঘটনাকে একটা অজুহাত হিসাবে সমানে অানা হয়েছে। শ্রমকানুন, অাদালতের রায় এবং সরকারী নির্দেশনামা হেলায় লঙ্ঘন করার ব্যাপারে প্রিকল কর্তৃপক্ষ কুখ্যাত। ব্যাপক শ্রমিকের সমর্থনপুষ্ট ইউনিয়নকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রশ্ন তো দূরস্থান, কর্তৃপক্ষ লাগাতারভাবে শ্রমিকদের ওপর নানান দমন নামিয়েছিল ইউনিয়নকে সমর্থন করার জন্য এই অাশা নিয়ে যে এইভাবে তারা ইউনিয়নকে ভাঙ্গতে সফল হবে। 'শাস্তি' হিসাবে বিরাট পরিমাণে মজুরি কেটে নেওয়া হয়। ফলে মাথা পিছু শ্রমিক বঞ্চিত হন দশ হাজার টাকা করে। তা সত্ত্বেও প্রিকলের শ্রমিকরা বুক টান করে সংগ্রামী মেজাজকে অক্ষুণ্ন রেখে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যান ধারাবাহিকভাবে। ২০০৭ সাল থেকে প্রিকল কর্তৃপক্ষ বেঅাইনিভাবে শ্রমিকদের মহার্ঘভাতা ও মজুরি বৃদ্ধি থেকে বঞ্চিত করে। ফলে মাথা পিছু একজন শ্রমিকের প্রতি মাসে লোকসান হয় ৯৫০ থেকে ১৬০০ টাকা। ইউনিয়ন এই বিষয়টা নিয়ে উদ্যোগ নেয়, চাকরি থেকে ইউনিয়ন নেতৃত্বকে বরখাস্ত হ‍ওয়ার ঝুঁকি নিয়েই নালিশ করে শ্রমদপ্তর ও রাজ্য সরকারের কাছে। প্রত্যুত্তরে সরকার ২০০৯-এর মার্চ মাসে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এক নোটিশ জারি করে। এছাড়াও, কর্তৃপক্ষের প্রতিটি বোর্ড সদস্যের বিরুদ্ধে অন্যায্য শ্রম অনুশীলন বা অানফেয়ার লেবার প্র্যাকটিসের জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠায়। জানতে চাওয়া হয় ইউনিয়নের সদস্য হওয়ার জন্য কেন সেই সমস্ত শ্রমিককে মজুরি বৃদ্ধি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সমস্ত নথি ও প্রামাণ্য কাগজপত্র সহ ইউনিয়ন এটাও দেখায় যে সম্পূর্ণ বেঅাইনি পথে কারখানার মূল উৎপাদন কেন্দ্রে কর্তৃপক্ষ অ্যাপ্রেন্টিস ও কন্ট্রাক্ট শ্রমিককে নিয়োগ করেছে। বাধ্য হয়ে সরকার ১৫ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে অারেকটা বিজ্ঞপ্তি জারি করে কর্তৃপক্ষকে জানায় যে ঐ সমস্ত কাজে যেন অ্যাপ্রেন্টিস বা কন্ট্রাক্ট শ্রমিকদের নিয়োগ না করা হয়। কর্তৃপক্ষ এই বিজ্ঞপ্তির তোয়াক্কা করেনি। ফলে ২১-২২ মে তারিখে কারখানায় অাচমকা এক পরিদর্শন হয় অার বেঅাইনিভাবে অ্যাপ্রেন্টিস ও কন্ট্রাক্ট শ্রমিককে নিয়োগ করার ঘটনায় কর্তৃপক্ষ হাতে-নাতে ধরা পড়ে। এরপর ইউনিয়ন দাবি তোলে, সরকার যেন প্রিকল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এক অাইনি বিজ্ঞপ্তি জারি করে। ১৫ জুন থেকে এই দাবির সমর্থনে প্রিকলের শ্রমিকরা শুরু করেন অনির্দিষ্ট অনশন ধর্মঘট। এই অনশনের বার্তা গোটা রাজ্য জুড়েই ছড়িয়ে পড়ে। অন্যান্য ইউনিয়ন, এমনকি সাধারণ মানুষও অনশনরত শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করতে অাসেন। অান্দোলনের সমর্থনে কয়েক লক্ষ প্রচারপত্র বিলি করা হয়। পার্শ্ববর্তী হাইওয়েতে টাঙানো হয় ব্যানার। শ্রমিক, ইউনিয়ন ও জনগণ প্রচণ্ড সাড়া দেয়। সংগ্রামী অাবেগ ও লড়াকু মেজাজ বাড়তে থাকে প্রতিদিন। রাজনৈতিক কর্মীবাহিনী, ইউনিয়ন, সামাজিক অনুশীলনরত কর্মী, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ লাইন করে দাঁড়িয়ে সাক্ষাত করেন অনশনরত শ্রমিকদের সঙ্গে। অাবেগঘন মুহূর্ত তুঙ্গে ওঠে, যখন দেখা যায় সন্তানরা তাদের অনশনরত মা-বাবার সঙ্গে দেখা করছে। ১২ দিন পর অনশনরত কয়েকজন মহিলা ও পুরুষ শ্রমিকের শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি ঘটে। অন্যান্য অনশনরত শ্রমিকরা তাঁদের অব্যাহতি দেওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করেন। কিন্তু তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন যে যতক্ষণ না তামিলনাড়ু বিধানসভায় তাঁদের বিষয় নিয়ে অালোচনা হচ্ছে, বা তাদের দাবি সুষ্ঠু মীমাংসার পথে যাচ্ছে, ততক্ষণ তাঁরা অনশনে অটল থাকবেন। ইউনিয়নের এই অান্দোলনের চাপে তামিলনাড়ু সরকার বিধানসভায় অালোচনা সংগঠিত করতে বাধ্য হয় এবং প্রতিশ্রুতি দেয় যে, যে কোনো পরিস্থিতিতেই প্রিকল শ্রমিকদের দাবি-দাওয়ার মীমাংসা করা হবে। বিধানসভায় এই মর্মে এক বিবৃতি জারি হয় যে, ইউনিয়নের দাবিগুলো মেনে নেওয়ায় ইউনিয়নের অনির্দিষ্টকালীন অনশনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হচ্ছে। একদিন অাগে, ২৯ জুন ২০০৯ তারিখে শ্রমদপ্তর এক অাদেশবলে জানায় যে মূল উৎপাদন কেন্দ্রে কর্তৃপক্ষ অ্যাপ্রেন্টিস বা কন্ট্রাক্ট শ্রমিকদের নিয়োগ করতে পারবে না। একইসাথে শ্রমদপ্তর কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশ দেয় যে, সমস্ত শ্রমিককে মজুরির পাশাপাশি ১ জুন ২০০৯ থেকে মাসিক অন্তর্বর্তীকালীন রিলিফ বাবদ যেন ৫০০ ও ৪০০ টাকা করে দেওয়া হয়। সারা দেশজুড়ে এই ঐতিহাসিক অাদেশনামাটির বিরাট তাৎপর্য রয়েছে। বর্তমান সময়ে যখন কন্ট্রাক্ট শ্রমিকদের খোলাখুলিভাবে নিয়োগ করা হচ্ছে তখন এরকম এক অাদেশনামা কোনো ছোটখাটো ঘটনা নয়। প্রিকল শ্রমিকরা তা অর্জন করেছেন এক দীর্ঘস্থায়ী, পরিকল্পিত সংগ্রামের মাধ্যমে। সরকার ঐ অাদেশনামা জারি করলেও কর্তৃপক্ষের দিকেই ছিল তাদের সহানুভূতি। নাছোড় কর্তৃপক্ষ ঐ অাদেশনামা রূপায়িত করার বদলে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে যাতে পুরো বিষয়টাকেই বিলম্বিত করা যায়। এ অাই সি সি টি ইউ-র সর্বভারতীয় সভাপতি কমরেড কুমারস্বামী অাবার হাইকোর্টেরও একজন প্রবীণ অাইনজীবী। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে তামিলনাড়ু হাইকোর্টে শ্রমিকদের পক্ষে তাঁর দাঁড়ানোর কথা ছিল। এরকমই এক প্রেক্ষাপটে কমরেড কুমারস্বামী সহ ২৬ জনকে খুনের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়, যাতে তাঁরা হাইকোর্টের উপরোক্ত মামলায় প্রকৃত বিচার না পান। কিভাবে কোর্টে মামলাটা এগোল? পুরো ঘটনায় ইউনিয়ন কর্মী ও নেতা সহ মোট ২৭ জন শ্রমিককে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। এর মধ্যে রয়েছেন এ অাই সি সি টি ইউ-র সর্বভারতীয় সভাপতি কমরেড এস কুমারস্বামী, যিনি ঐ ঘটনার দিনে কোয়েম্বাত্তুরের ধারেকাছেও ছিলেন না। প্রিকলে এ অাই সি সি টি ইউ-র নেতা এম গুরুস্বামীকেও এই মামলায় ফাঁসানো হয়, যিনি সেই সময়ে প্রিকল প্ল্যান্ট ১-এ কর্মরত ছিলেন না। এটা জানা যায় যে একেবারে শেষমুহূর্তে তাঁর নাম এফ অাই অার এবং অভিযোগের তালিকায় যুক্ত করা হয়। যেহেতু কোর্টের কাছে নির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ ছিল না, তাই ২৭ জন অভিযুক্তের মধ্যে ১৯ জনকে বেকসুর খালাস করা হয়। তবে ৮ জনকে কেন অভিযুক্ত করা হল ? বিচার প্রক্রিয়ায় খুনের ষড়যন্ত্র প্রমাণ করা গেল না। তাহলে তো এটাই স্বাভাবিক, তার ওপর ভিত্তি করে যে সমস্ত অভিযোগ দায়ের করা হয়, তার সবটাই মিথ্যা। এ অাই সি সি টি ইউ-র নেতা কুমারস্বামী ও গুরুস্বামী নিঃশর্তে মুক্তি পান কারণ তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোই মিথ্যা প্রমাণিত হয়। কমরেড গুরুস্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো যদি এতই নগ্নভাবে মিথ্যা প্রমাণিত হয়ে থাকে তবে অন্যান্য শ্রমিক সহ গোটা মামলাটি নিয়েই কেন প্রশ্ন উঠবে না? অারও একটি প্রশ্ন হল – যে সমস্ত ইউনিয়ন নেতারা ২০০৭ সাল থেকে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ অান্দোলনের পরিকল্পনা করে চুক্তি সম্পাদন করতে সফল হন, তারাই বা কেন ষড়যন্ত্রের পথে হাঁটবেন? ইউনিয়ন পরিচালনা করা তো কোনো ষড়যন্ত্রমূলক কাজ নয়। তার সাফল্য নির্ভর করে রাজনৈতিক বিচক্ষণতা ও নেতৃত্বের ওপর, হত্যা সংগঠিত করার ষড়যন্ত্রের ভিত্তিতে নয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রকৃত তথ্য-প্রমাণ কি ছিল? ১। রায়ে উল্লেখ হয়েছে খুন করা হয়েছে ৮টি লোহার রড দিয়ে – তাই, এখান থেকে এটা বোঝাই যায এর পেছনে অাটজন অভিযুক্ত রয়েছেন। অভিযুক্ত ঐ অাটজন ব্যক্তির সঙ্গে অাটখানা লোহার রডের সম্পর্কের কি প্রমাণ মেলে তা অারও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার্য বিষয় – যার সঙ্গে এই বিচারের পরিণতির কোনো সম্পকই নেই। অামরা দেখলাম, জর্জের রক্তের কোনো চিহ্ন রডগুলোতে খুঁজে পাওয়া যায়নি। লোহার রডগুলোতে (যেটাকে খুনের অস্ত্র হিসাবে দেখানো হয়েছে) অভিযুক্তদের কোনো অাঙ্গুলের ছাপেরও হদিশ মেলেনি। এদিকে, মামলায় বলা হয়েছে জর্জের শরীরে অাটটি ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে (যার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে অাটখানা লোহার রড), কিন্তু যে ডাক্তার জর্জকে ভর্তি করিয়েছিলেন, তিনি জানান যে জর্জের শরীরে ছিল মাত্র একটি ক্ষত চিহ্ন, অার ময়না তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী ছিল তিনটে ক্ষতচিহ্ন। সংখ্যাগতভাবে লোহার রড বা খুনের অস্ত্র হিসাবে সেগুলোকে ব্যবহার করা অথবা তার সঙ্গে অাটজন 'খুনি' শ্রমিকের কোনো সম্পর্কের তথ্যপ্রমাণ প্রতিষ্ঠিত করা যায়নি। ২। মামলাটি স্পষ্টতই নানা মিথ্যাচারে ভরা। এমনকি তাদের নিজস্ব সাক্ষীরাও তা অস্বীকার করে। এমন অকাট্য তথ্য পাওয়া গেছে যা প্রমাণ করে যে পুরো বিষয়টাই সাজানো। উদাহরণস্বরূপ, কয়েকজন অভিযুক্ত মামলা খারিজ করার লিখিত পাল্টা এক ডিসচার্জ পিটিশনে জানান যে, সিসি টিভি রেকর্ডিং শুধুমাত্র ঘটনা ঘটার সময় ও স্থানকেই দেখায়নি, বরং এমন কয়েকজন ব্যক্তির পরিচিতিকে উদ্ঘাটিত করেছে যাদের নাম ও কয়েকজনের খোলাখুলি কার্যকলাপ এফ অাই অার-এ লেখা নেই। কিন্তু ঐ সিসি টিভির ফুটেজ যখন কোর্টে পেশ করা হল, তখন কিন্তু সেগুলোর অার দেখা মিলল না। মামলায় সাক্ষী-সাবুদের সাক্ষ্যপ্রমাণে এই সাধারণ দ্বন্দ্বকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিচারক অাই ও (ইনভেস্টিগেটিং অফিসার)-র বক্তব্যকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন, যিনি বলেছেন যে ২১ সেপ্টেম্বর সিসি টিভি কাজ করেনি। বিচারকের অবশ্যই অাই ও-কে প্রশ্ন করা উচিত ছিল যে, যদি অাই ও জানতেন সিসি টিভি কাজ করেনি তবে তার অাগে মামলায় লিখিতভাবে ঠিক তার উল্টোটাই কেন লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল? এখান থেকে স্বাভাবিকভাবেই যে সত্যিটা বেরিয়ে অাসে তা হল, সিটি টিভির ফুটেজটা সম্ভবত চেপে রাখা হয়েছিল কারণ তা এমন সব তথ্য উদ্ঘাটিত করত যা প্রিকল কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মামলার বিরুদ্ধে গিয়ে তাদের অস্বস্তিতে ফেলত। কিন্তু বিচারের সময় এই সমস্ত বিচার্য হল না। কেন? ৩। বলা হচ্ছে মানবোন্নয়নের সহ সভাপতির কামরায় ঘটনাটি ঘটে সকাল ১১.৪০ মিনিটে। যদিও অাই ও বলেছিলেন তিনি ঐদিন সকাল ১১.৪১ – ১১.৪৬ পর্যন্ত কামরার বাইরে ছিলেন। প্রিকলের মানবোন্নয়ন বিভাগের বা সশস্ত্র সংরক্ষিত পুলিশবাহিনী (যাদের এক বছরেরও অাগে প্রিকলে নিয়োগ করা হয়) – এরা কেউই অাই ও-কে এমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা সম্পর্কে জানায়নি। একথাও তাকে জানায়নি যে অাহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সের প্রয়োজন ছিল। তিনি হলেন মামলার এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী, যিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়েছেন যে খুন যেখানে সংগঠিত হয়েছিল, তিনি ঠিক তার বাইরে উপস্থিত ছিলেন – তা সত্ত্বেও তিনি নাকি কোনো খুনিকে পালাতেও দেখেননি। কোনো ধরনের অস্বাভাবিক ঘটনাও তার গোচরে অাসেনি। এত কিছু সত্ত্বেও মামলায় তাকে বিরুদ্ধভাবাপূর্ণ সাক্ষী (হোস্টাইল ভিটনেস) হিসাবে ঘোষণা করা হল না। এছাড়া, প্রায় ১০০০-র বেশি শ্রমিক, শ'য়ে শ'য়ে অফিসার, ডাইরেক্টর বা অাহত ব্যক্তি অথবা যারা চাক্ষুষ দেখেছেন – এমন কেউ পুলিশকে ফোনে বা থানায় (যার দূরত্ব বড়জোর দশ মিনিট হবে) খবর দিয়েছে – তার কোনো প্রমাণ মেলেনি। ৪। মামলায় সিসি টিভি ফুটেজের মিথ্যাসর্বস্ব ঘটনাগুলোকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অভিযুক্তদের অাগেকার লিখিত ঘটনাগুলোর চেয়ে অাই ও-র বক্তব্যকেই বেশি নির্ভরযোগ্য বলে গণ্য করা হয়েছে। অাই ও-র বক্তব্যের ওপর বেশি নির্ভর করা মামলাটির রায় অাই ও-র অস্বস্তিকর ও স্ববিরোধী বক্তব্যগুলোকে ধর্তব্যের মধ্যে অানেনি। রায়দানের সময় শুধু এটা বলা হয়েছে যে মামলা চলাকালীন অাই ও-র উল্টো সাক্ষ্যদান ''দুর্ভাগ্যজনক'' ছিল। ৫। বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মামলায় বলা হয়েছে, অাহতদের ধাপে ধাপে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (যে অাহত ব্যক্তি জীবনের সঙ্গে যুঝছিলেন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় দুপুর ১.২২ মিনিটে, অার বাকিরা ভর্তি হয়েছিল দুপুর ২.৩০, ৩.০০ ও ৩.৩০ (এর মধ্যে)। কিন্তু যে নার্স অাহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে নিয়ে যান, তিনি জানান যে তিনিই তাদের হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে সেখানে ১৫ মিনিট থাকার পর ঐ একই অ্যাম্বুলেন্সে কারখানায় ফিরে অাসেন। অ্যাম্বুলেন্সের রেজিস্টারে লেখা রয়েছে যে কারখানা থেকে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে অ্যাম্বুলেন্সটি অাহতদের নিয়ে ১১.৫০ মিনিটে যায় এবং ফিরে অাসে দুপুর ১টায়। মামলায় বিলম্বকে ব্যাখ্যা করার সমস্ত প্রচেষ্টাকেই উক্ত বক্তব্য খারিজ করে। একজন ফুটপাথবাসীকে সলমন খান গাড়ির নীচে পিষে মারার পর বা দলিত গণহত্যার খুনিরা যখন ছাড়া পায়, তখন দেখা বলা হয়েছিল প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যদান অভিযুক্তকে শাস্তি দেওয়ার জন্য 'যথেষ্ট

...Full Text

‘Free Pricol Eight’ Campaign In Tamilnadu

Anticipating some severe punishment in the case, AICCTU state working committee meeting was held in Coimbatore on December 1 which decided to get prepared for any eventuality. After the meeting, a meeting of Pricol vanguards was held which decided to gather

...Full Text

AICCTU Demonstration In Bangalore

Workers demonstrated in front of the Karnataka Labour Commissioner's office at Bangalore on 17 February 2016 demanding a minimum wage of Rs. 21000 and halting of proposed anti-worker, pro-corporate amendments to Factories Act and Rules by the Karnataka State government. Workers from Bangalore

...Full Text

Workers’ March in Ranchi

AICCTU Ranchi city committee took out a protest march on 21 January and burnt the effigy of Union MoS for Labour Bandaru Dattatreya to protest against the ‘start-ups’ for the benefit of companies, double life imprisonment for 8 Pricol workers, and driving

...Full Text

Contract Sanitation Workers’ Struggle for Regularization in Bangalore

AICCTU led contract sanitation workers of BBMP (Bruhat Bangalore Mahanagara Palike) rallied more than a thousand and formed a human barricade demanding regularization of all contract sanitation workers on 2nd Dec. 2015. The struggle was led by Comrades Balan, state president,

...Full Text